• Convallis consequat

    Lorem ipsum integer tincidunt quisque tristique sollicitudin eros sapien, ultrices primis volutpat tempor curabitur duis mattis dapibus, felis amet faucibus...

  • Augue nullam mauris

    Lorem ipsum integer tincidunt quisque tristique sollicitudin eros sapien, ultrices primis volutpat tempor curabitur duis mattis dapibus, felis amet faucibus...

  • Donec conubia volutpat

    Lorem ipsum integer tincidunt quisque tristique sollicitudin eros sapien, ultrices primis volutpat tempor curabitur duis mattis dapibus, felis amet faucibus...

  • Primis volutpat tempor

    Lorem ipsum integer tincidunt quisque tristique sollicitudin eros sapien, ultrices primis volutpat tempor curabitur duis mattis dapibus, felis amet faucibus...

Kushtia Tourist Spots Bangladesh

Kushtia is a district under Khulna division of Bangladesh. It located in west part of Bangladesh. It was a part of Nadia District at the time of British India.Administration was established in 1947. This districts famous for Shilaidaha Kuthibari and Lalon's shrine. There was an township and river port during Emperor Shahjahan. Kushtia municipality was established in 1869. Local people called the town Kushtay (Kushte).There are good transport communities with Dhaka to Kushtia mainly by bus and train.Kangal Horinath, Bagha Jatin, Mir Moshoraf Hussion are from this district. Jute is known as Kusti, from Kusti, the name Kushtia has come. The district is separated in 1984 from Chudangha and Meherpur.There are many interested tourist places in Kushtia to visit. 


List of Top Tourist Spots / Places for Visitors
  • Bheramara Thermal Power Station 
  • Gorai River
  • Ghorai par 
  • Hardinge bridge (1912) 
  • Heat generated Electricity Centre
  • Homb of Baul Lalon Shah
  • Islamic University
  • Jhaudia Shahi Mosque
  • Kushtia City Municipality House
  • Kuthibari of Rabindranath Tagore  (located at Shilaidaha in Kumarkhali Upazila, only 20km from Kushtia town)
  • Lalon Fakir Mazar (located at Cheouria, about 2 km from the Kustia railway station)
  • Mir Mosharraf Hossain  House (Kumarkhali)
  • Mohini fabrics Mill
  • Nill Kuthi B ari
  • Shaheed President Ziaur Rahman Shishu Park (Kushtia Sadar)
District Travel and Tourism Information for Traveler
Area / Map 1,621.15 square kilometers / Map
Distance 178 km From Dhaka
Main River: Ganges, Garai, Mathabhanga, Kaliganga and Kumar river.
Border Rajshahi, Natore, Pabna are to the North
Chuadanga, Jhenaidah districts to the South
Rajbari is to the East, and by West Bengal and Meherpur District to the West.
Geo Position 22.35°N 89.30°E
Upazila
  • Kushtia Sadar
  • Kumarkhali
  • Daulatpur
  • Mirpur
  • Bheramara
  • Khoksa
Division Khulna Division
Country Bangladesh
Main Bus Terminal
  • Poradah Bus Stand
  • Amala Bus Stand
  • Katlamari Bus Stand
Train Station Court Station
Airport Nearest Airport is at Khulna
Weather
Temperature
Highest average temperature: 37.8°c Celsius
Lowest average temperature: 11.2 °c Celsius.
Average amount of rainfall is 1,467 mm.
Main Tourist Attractions and Destinations
  • Rabindra Kuthibari of Shelaidaha
  • Lalon Fakir Maza (shrine)
Hotels List of district wise accommodations and rest houses
Postal Code 7000
NWD Code 071
ISD Code 0088
Currency Taka (BDT)
BD Govt. Website www.kushtia.gov.bd

Related Web Links

বৈচিত্র্যপূর্ণ নান্দনিক সৌন্দর্যের অপূর্ব সমাহার


Decrease font Enlarge font
বাংলাদেশের পর্যটন স্থানগুলোর মধ্যে যদি আমাকে কোনো স্থান বেছে নিতে বলা হয় তবে আমি যে নিঃসন্দেহে নেত্রকোনা জেলার বিরিশিরি ও দুর্গাপুরকেই বেছে নেব, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

একটি আদর্শ পর্যটন স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে যেসব উপকরণ থাকা দরকার তার সবটুকু যেন রয়েছে এখানে পাহাড় ও নদীর মিলন মেলা, সবুজের সমারোহ, নীল পানির দীঘি, চীনামাটির খনি, আদিবাসীদের (গারো, হাজং, আচিক এবং মান্দি ইত্যাদি) জীবনযাত্রা খুব কাছে থেকে দেখা যাবে, দেশের সর্ব বৃহৎ সিরামিকের পাহাড়, নদী থেকে কয়লা ও পাথর উত্তোলনের দৃশ্য, আদিবাসী কালচারাল একাডেমি, মন্দির ও গির্জা, বিখ্যাত বালিশ মিষ্টি এবং বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত রেখা (জিরো পয়েন্ট) ইত্যাদি।

যদিও অবকাঠামোগত ভাবে বিরিশিরি ও দ‍ুর্গাপুর অনুন্নত, তারপরও এর নান্দনিক ও বৈচিত্র্যপূর্ণ সৌন্দর্য একে অনন্য ও আদর্শ পর্যটন স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে।   

পর্যটন বিষয় নিয়ে পড়াশোনার সুবাদে গবেষণাধর্মী কাজের জন্য এমনিতেই প্রচুর পরিমাণে পরিচিত ও সম্ভাব্য পর্যটন স্থানগুলোতে ভ্রমণ করতে হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গত বৎসর আমি ও আমার কিছু বন্ধু (নাজমুল, মাহবুব, অরিন, সেতু, কান্তা, ফারজানা ও  ছন্দা) মিলে গিয়েছিলাম বিরিশিরি ও দুর্গাপুরের ওপর কিছু গবেষণা ও জরিপের কাজ করতে।

বিরিশিরির মূল আকর্ষণের মধ্যে একটি হলো বিজয়পুর চীনামাটির পাহাড়। ছোট-বড় টিলা-পাহাড় ও সমতল ভূমি জুড়ে প্রায় ১৫ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৬০০ মিটার প্রস্থ এই খনিজ অঞ্চল। খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ১৯৫৭ সালে এই অঞ্চলে সাদামাটির পরিমাণ ধরা হয় ২৪ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন, যা বাংলাদেশের তিনশ’ বৎসরের চাহিদা পূরণ করতে পারে।    

চীনামাটির পাহাড়গুলো মূলত সাদা রঙের। তবে কিছু কিছু জায়গায় মেরুন বা হালকা লাল রঙ বিদ্যমান। পাহাড় থেকে মাটি তোলায় সেখানে হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। বেশির ভাগ হ্রদ্রের পানির রঙ নীল। কিছু কিছু জায়গায় সবুজাভ নীল। কিছু জায়গায় সাদা, কিছু জায়গায় লাল।

এই নীল রঙের পানি দেখে যে কারোই গোসল করার সাধ জাগতে পারে, এই যেমন আমাদের মধ্যে থেকে নাজমুল ও অন্য একটা গ্রুপ থেকে আরো কয়েকজন উপর থেকে লাফ দিয়ে পানির মধ্যে পড়ছিল, তখন তাদের আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখে মনে হচ্ছিল তারা যেন অন্যরকম কিছু একটা জয় করে ফেলেছে যা আমাদের মতো ভীরুদের পক্ষে সম্ভব না।

আসামের মেঘালয় রাজ্যর গারো পাহাড়ের গাঁ ঘেষে বয়ে যাওয়া সোমেশ্বরী (পূর্বে ‘সমসাঙ্গ’ নামে পরিচিত ছিল) নদীর বিচিত্রতা ও সৌন্দর্য চোখে পরার মতো। একদিকে যেমন এর স্বচ্ছ পানিতে যে কারোর হাত বারিয়ে একটু ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছা হবে, অন্যদিকে পানির ভিতর কয়লার ও নুড়ি পাথরের স্তূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে আসবে। সারাদিন স্থানীয় দিন-মজুররা এই নদীতে কয়লা ও পাথর তোলে। দিন শেষে তা স্থানীয় মজুতদারদের কাছে বিক্রি করে।    

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এই জায়গাটি অবকাঠামোগত ভাবে অনুন্নত হওয়াতে এখানে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতের মাধ্যম হচ্ছে মোটরসাইকেল ও রিকশা। যদি আপনি রিকশায় ঘুরে বেড়াতে চান তাহলে আপনাকে প্রতি দুই জনের জন্য ৬-৭ ঘণ্টায় ভাড়া বাবদ গুনতে হবে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকার মতো আর যদি মোটরসাইকেলে যান তাহলে দিতে হবে ৫৫০ থেকে ৬০০ টাকার মতো। এভাবে আপনি দু’দিনের মধ্যে বিরিশিরির সব পর্যটন স্থান ঘুরে আসতে পারবেন। 

বিরিশিরিতে মূলত যেসব পর্যটনস্থান রয়েছে তার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো- বিজয়পুর চীনামাটির পাহাড় ও নীল পানির দীঘি, সোমেশ্বরী নদী, রানীখং গীর্জা, গারোসহ অন্যান্য আদিবাসীর জীবনযাত্রা ও কালচার, আদিবাসী কালচারাল একাডেমি, সাগর দিঘী, কুল্লাগড়া মন্দির, বিজিপি ক্যাম্প ও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত রেখা।

হাতে দু’দিন সময় নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ঢাকা থেকে মাত্র ১৭০ কিলোমিটার উত্তরে সীমান্তবর্তী জেলা নেত্রকোনার সুসং দুর্গাপুর ও বিরিশিরি থেকে।

যেভাবে যাবেন
ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি বিরিশিরির উদ্দেশে বাস ছাড়ে। ভাড়া পড়বে ২০০ টাকার মতো। বিরিশিরির বাস বলা হলেও সোমেশ্বরীর ব্রিজের কাজ শেষ না হওয়ায় বাস থেকে নামতে হবে সুখনগরীতে। সেখানে ৫ টাকা দিয়ে নৌকায় ছোট নদী পাড় হয়ে ওপাড় থেকে মোটর সাইকেল, রিকশা, টেম্পু, বাসে দুর্গাপুর যেতে হবে।

রাস্তা এক কথায় জঘন্য। এজন্য মোটর সাইকেলই সুবিধাজনক। প্রতি মোটর সাইকেলে ২ জনের জন্য ভাড়া নেবে ১০০ টাকা। রিকশা ৮০-১০০ টাকা, টেম্পু/বাস জনপ্রতি ২০ টাকা। তবে ব্রিজের কাজ শেষ হলে আপনাকে বাস সরাসরি বিরিশিরি গিয়ে নামিয়ে দেবে।

কোথায় থাকবেন ও কি খাবেন
অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় এখানে তেমন কোনো ভালো মানের হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস ও কোনো রেস্টুরেন্ট তেমন ভাবে গড়ে ওঠেনি। তবে মোটামুটি থাকার জন্য বেশ কয়েকটা হোটেল ও গেস্টহাউস রয়েছে যা আপনাকে খুব কম খরচে থাকার ব্যবস্থা করে দেবে। এদের মধ্যে YWCA ও YMCA রেস্ট হাউজ, কালচারাল একাডেমির নিজস্ব রেস্ট হাউজ ও জেলা পরিষদ ডাক বাংলো, হোটেল স্বর্ণা একটু ভাল মানের। কেবল YWCA রেস্ট হাউজ ছাড়া অন্য হোটেল বা গেস্টহাউসগুলোতে রেস্টুরেন্ট ফ্যাসিলিটিস না থাকায় আপনাকে মেইন রাস্থার পাশে অবস্থিত যেকোন রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়ে নিতে হবে।

থাকা খাওয়ায় একটু আধটু ঝামেলা থাকালেও পাহাড়ের কূল ঘেষে বয়ে যাওয়া নদীতে ছোট্ট নৌকায় করে ঘুরে বেড়ানোর সময় নিজেকে হারিয়ে ফেলতে ইচ্ছে হবে দূর থেকে দূর দিগন্তে। এ যেন বিধাতার এক অপার কৃতি যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। 

আর একটা কথা সাথে করে ছাতা, নরম জুতা বা স্যান্ডেল, পানির বোতল, ক্যাপ নিতে ভুলবেন না।

Tourism-spot-in-Bangladesh

Tourism-spot-in-Bangladesh

ঘুরে আসুন নিঝুম দ্বীপ





দেশের দক্ষিনাঞ্চলীয় জেলা নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার দক্ষিন-পশ্চিমে অবস্থিত নৈসর্গিক শোভা মন্ডিত দ্বীপাঞ্চল নিঝুম দ্বীপ। রহস্যময়ী এই নিঝুম দ্বীপ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ নয়, বহির্বিশ্বের মানুষেরও ব্যাপক কৌতুহল ও আগ্রহ রয়েছে।
এর অন্যতম কারন মনোরম পরিবেশ এবং এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত প্রত্যক্ষ করার বিরল সুযোগ। ফলে এই দ্বীপটিকে নিয়ে জানার আকাংখা কৌতুহল প্রিয় ও ভ্রমন পিয়াসী মানুষের বেড়েই চলেছে দিনকে দিন। মূলত কমলার চর, চর ওসমান, চর মুয়িদ ও বল্লার চর- এই চারটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত নিঝুম দ্বীপ। প্রায় ১৪ হাজার একর বিস্তৃত দ্বীপটি ১৯৫০ সালের দিকে জেগে উঠে বলে জানা গেছে। ১৯৭০ সালের আগে এখানে জনবসতি প্রায় ছিলই না। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে হাতিয়ার ততকালীন সাংসদ (প্রয়াত) ও বন প্রতিমন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম এখানে বেড়াতে এসে দ্বীপটির শান্ত স্নিগ্ধ রুপে মুগ্ধ হয়ে এর নামকরন করেন নিঝুম দ্বীপ। পরে হাতিয়া, শাহবাজপুর ও রামগতির নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ দ্বীপটিতে এসে আশ্রয় নেওয়া শুরু করে। পাশাপাশি ১৯৭৩-৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশ বনবিভাগ এখানে সুন্দরবনের আদলে উপকূলীয় বনাঞ্চল গড়ে তুলতে থাকে। বর্তমানে এই বনাঞ্চলে কেওড়া, বাইন, গেওয়া, কামড়া, পুইন্যাল, নোনা ঝাউ ইত্যাদি গাছ রয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে নিঝুম দ্বীপ সফরে এসে দ্বীপটিকে জাতীয় উদ্যান ঘোষনা করেন। দীর্ঘ একযুগ পেরিয়ে গেলেও এখানে উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। বলা চলে একরকম অবহেলিতই রয়ে গেছে নিঝুম দ্বীপ। আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর উন্নয়নবঞ্চিত নিঝুম দ্বীপের প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা আবার নতুন স্বপ্নের বীজ বুনছেন। সরেজমিন পরিদর্শনকালে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নিঝুম দ্বীপের উন্নয়ন সাধিত হলে এখানকার জনগনের যেমন ভাগ্য পরিবর্তন হবে ঠিক তেমনি পর্যটন খাত থেকে সরকারও আয় করতে পারবে কাড়ি কাড়ি অর্থ। পাশাপাশি জীব বৈচিত্র রক্ষা পাবে, তৈরী হবে পরিবেশের ভারসাম্য।

নিঝুমদ্বীপের গহীন অরন্যে প্রায় ৭প্রজাতীর স্তন্যপায়ী প্রানী, ৩৫প্রজাতীর পাখি ও ১৬প্রজাতীর সাপ রয়েছে। আর সর্বত্র রয়েছে দৃষ্টিনন্দন চিত্রল হরিণের অবাধ পদচারনা। জানা গেছে ১৯৭৮ সালে এখানে ৪জোড়া চিত্রল হরিণ অবমুক্ত করা হয়েছিলো। গত সিডরে বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হলেও এ দ্বীপে বর্তমানে প্রায় ৩০হাজার হরিণ রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষা এই দ্বীপে চিত্রল হরিণের অবাধ ছুটোছুটি সত্যিই স্বপ্নীল এক দৃশ্য- যা প্রতিনিয়ত হাতছানি দিয়ে ডাকে দেশী বিদেশী পর্যটকদের। ছবির মতো সুন্দর এই দ্বীপের দক্ষিনে বৃত্তাকারে রয়েছে প্রায় ১২কিলোমিটার জুড়ে বিশাল সি-বীচ্। যেখানে বসে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের স্বর্গীয় দৃশ্য দেখা যায়। এতো কিছুর পরও শুধুমাত্র অবকাঠামোর অভাবে পর্যটকরা ইচ্ছে থাকা স্বত্ত্বেও এখানে ব্যাপক হারে আসতে আগ্রহী হননা। মূল ভূখন্ড থেকে দ্বীপে যাতায়াত ব্যবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ ও অপ্রতুল। রাত্রি যাপনে তেমন একটা সু-ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান ইত্যাদি মৌলিক অধিকার গুলো থেকে স্থানীয়রা প্রায় বঞ্চিত। সরকারের একটু সুদৃষ্টি নিঝুম দ্বীপকে দেশের সম্ভাবনাময় একটা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারনা।

 👀  যেভাবে যাবেনঃ

ঢাকা থেকে দুইভাবে নিঝুম দ্বীপ আসা যায়।

সড়ক পথের রুটঃ ঢাকা-সোনাপুর(নোয়াখালী)-চেয়ারম্যান ঘাট-হাতিয়ার নলচিরা ঘাট(সী-ট্রাক বা ট্রলারে)-হাতিয়ার অপর প্রান্ত জাহাজমারা বাজার-নিঝুম দ্বীপ যাবার ঘাট(খেয়া পারাপার)-নিঝুম দ্বীপ বন্দরটিলা ঘাট-নামার বাজার।

ঢাকার সায়দাবাদ এবং কমলাপুর থেকে প্রতিদিন অসংখ্য বাস নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সময় লাগে ৫-৬ ঘণ্টা। ভাড়া বাস ভেদে ২৫০- ৩৫০ টাকা। সোনাপুর নেমে আবার বাসে চেয়ারম্যান ঘাট। সময় লাগবে ২ ঘণ্টার মত। ভাড়া ৬০-৮০ টাকা। চেয়াম্যান ঘাট থেকে প্রতিদিন দুপুর ২ টার দিকে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সি ট্রাক। সেগুলোতে চড়ে চলে যাবেন হাতিয়া। ভাড়া নেবে চেয়ারে ১৫০ টাকা এবং ডেকে ১০০ টাকা। সময় লাগবে ১.৩০ মিনিট। আপনাকে হাতিয়ার যে ঘাটে নামিয়ে দেবে সে ঘাটের নাম ‘নলচিরা ঘাট’। নলচিরা ঘাট থেকে ‘চান্দের গাড়িতে’ যাবেন হাতিয়ার অপর প্রান্ত জাহাজমারা বাজার। সময় লাগবে ৩ ঘণ্টার মত। ভাড়া নেবে ৮০-১০০ টাকা। জাহাজমারা বাজারে রাতে থাকবেন। এখানে থাকার জন্য তেমন ভালো হোটেল নেই। যেগুলো আছে সেখানে কষ্ট করে থাকতে হবে। ভাড়া নেবে ১০০-১২০ টাকা জনপ্রতি। সকালে নিঝুম দ্বীপ যাওয়ার জন্য আপনাকে ঘাটে যেতে হবে। সেক্ষেত্রে মোটরসাইকেল ছাড়া আর কোন যানবাহন নেই। একটি মোটরসাইকেলে তিনজন পর্যন্ত উঠা যায়। ভাড়া জন প্রতি ৬০-৮০ টাকা। পূর্বেই দরদাম করে নেবেন। ঘাটে পৌঁছাতে সময় লাগবে ৩০ মিনিটের মত। ঘাটে দাঁড়ালেই অপর পাশে দেখতে পাবেন স্বপ্নের নিঝুম দ্বিপের বনাঞ্চল। সকাল ৯ টায় নিঝুম দ্বীপ যাবার নৌকা ছাড়ে। ভাড়া ২০-৩০ টাকা। সময় লাগবে ৩০ মিনিট। নদী পার হওয়ার পথে অসংখ্য পাখি দেখতে পাবেন। নিঝুম দ্বীপে আপনাকে নামিয়ে দেবে যে ঘাটে তার নাম ‘বন্দরটিলা ঘাট’ নেমে মোটরসাইকেলে সরাসরি চলে যাবেন ‘নামার বাজার’। ভাড়া জনপ্রতি ১০০ টাকা। (যাতায়াত এবং ভাড়া সংক্রান্ত তথ্যগুলো মার্চ-২০১৩ সালের)

 🐬  নৌ পথেঃ ঢাকা-তমরুদ্দি(হাতিয়া)-হাতিয়া বন্দরটিলা-নিঝুম দ্বীপ বন্দরটিলা-নামার বাজার।

ঢাকা থেকে নিঝুম দ্বীপ যাওয়ার সহজ রুট সদরঘাট থেকে লঞ্চে করে হাতিয়ারতমরুদ্দি। এ পথে এমভি পানামা এবং এমভি টিপু-৫ নামে দুটি লঞ্চ নিয়মিত চলাচলকরে। 📞 যোগাযোগের ফোন-০১৯২৪০০৪৬০৮ এবং ০১৭১১৩৪৮৮১৩।

ভাড়া ডাবলকেবিন ১২০০ আর সিঙ্গেল ৬৫০ টাকা। ডেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা খরচ হবে। ঢাকা থেকে ছাড়ে বিকেলে আর তমরুদ্দি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে দুপুর সাড়েবারোটায়। আর তমরুদ্দি থেকে স্কুটারে বন্দরটিলা ঘাট খরচ হবে ৪৫০-৫৫০ টাকা।স্কুটার ছাড়া বাস এবং রিকসা করেও বন্দরটিলা ঘাটে যাওয়া যায়। বাস ভাড়া ৩০-৪০ টাকা, রিকসা ভাড়া ৫০-৬০ টাকা।সেখান থেকে ট্রলারে চ্যানেল পার হয়েনিঝুম দ্বিপের বন্দরটিলা । সেখান থেকে মোটরসাইকেলে নামারবাজার।

 👀  কোথায় থাকবেনঃ

নিঝুম দ্বীপে আপনাদের থাকার জন্য আদর্শ স্থান ‘নামার বাজার’। এখান থেকে আপনি খুব সহজেই মূল বনে ঢুকতে পারবেন। এছাড়া এই এলাকাটি দক্ষিণ প্রান্তে হওয়ায় আপনি সাগরের কাছাকাছি থাকতে পারবেন।

থাকার জন্য নামার বাজারের উত্তরে রয়েছে অবকাশ পর্যটনের ‘নিঝুম রির্সোট’ । এখানে ২ শয্যার কক্ষ ভাড়া ১০০০ টাকা, ৩শয্যার কক্ষ ১২০০ টাকা, ৪ শয্যার কক্ষ ১৮০০ টাকা, ৫ শয্যার ডরমিটরির ভাড়া১০০০ টাকা, ১২ শয্যার ডরমিটরি ২৪০০ টাকা। ঢাকা থেকে এ রিসোর্টের বুকিং দেয়াযায়। যোগাযোগঃ অবকাশ পর্যটন লিমিটেড, শামসুদ্দিন ম্যানশন, ১০ম তলা, ১৭ নিউইস্কাটন, ঢাকা। 📞 ফোন- ৮৩৫৮৪৮৫, ৯৩৪২৩৫১, ০১৫৫২৪২০৬০২

এছাড়া, ‘মসজিদ বোডিং’। বাজারের উত্তর প্রান্তে মসজিদ বোডিংএ থাকলে ভাড়া পড়বে মাত্র ৬০-৮০ টাকা জন প্রতি। এখানে রুমগুলো পরিপাটিএবং সুন্দর। রয়েছে গোসলের সুব্যবস্থা। আর মসজিদের ইমামের অনুমতি নিয়ে কম দামে সুস্বাদু ডাব খেতে পারবেন।

তাছাড়া বন বিভাগেরবাংলো, জেলা প্রশাসকের ডাকবাংলো, রেড-ক্রিসেন্ট ইউনিট ও সাইক্লোন সেন্টারেওথাকার ব্যবস্থা করা যায়। তবে এগুলোর জন্য পূর্বেই অনুমতি নিতে হয়।
 https://www.facebook.com/groups/bangladesh.travel/
Travel On Bangladesh
 

Lalon Shah (Pakshey) Bridge

Lalon Shah (Pakshey) Bridge

Lalon Shah (Pakshey) Bridge, the country’s second largest bridge, over the river Padma at Paksey-Bheramara point opened to traffic on 18 May 2004.

The 1.8-km bridge was built parallel to the Hardinge Railway Bridge at a cost of Tk 1,065 crore, including Tk 245 crore from the government. Japan Bank for International Cooperation contributed rest of the money, which is refundable in 30 years.

The bridge open a new horizon in the communication sector, connecting the country’s southwestern and northwestern regions and making trade easier with India and Nepal through Mongla Port.

Major Bridge Engineering Bureau was awarded the tender for constructing the bridge and ScanCement was exclusively used. A total 65 thousand metric tones of cement was used for the construction work.

LALON MELA...........

LALON MELA...........
Fokir Lalon Shah, a prominent philosopher poet in the cultural history of Bangladesh, established a distinctive tradition of philosophical thoughts through his thousands of songs and compositions. This legendary figure was born on 1774 CE and died on 1890, leaving controversial issues regarding his identity. He lived in the village Cheuria at Nodia of British-India era and Kushtia district of present Bangladesh. He is called as the Baul Shamrat (the Emperor of Bauls) for his distinctive views about life which denies the concrete affairs of the search of ecstasy of human soul. His own vision on human life has become the fundamental in developing Baul thoughts among the Bauls in this arena of the world.
Every year, on the first week of April, a fair is organized on the eve of his birth anniversary at Kushtia. The akhra (the place where Lalon lived) is decorated colorfully during this occasion and thousands of his devotees from different places of the country gather here to celebrate the day. Singers of Lalon Academy with ektara and other musical instrument, perform Lalon’s song all through the night for three days. Several crowds of Baul sit at different places of the Akhra. Among the Bauls, Fakir Humayun Shah is the prominent one. Lots of people join the crowd to enjoy the song of Lalon from Humayun’s and his devotees’ voice. On this day, the place becomes a gathering of Lalon’s devotees who remember him practicing his philosophical thoughts and performing his thousands of compositions.

KUAKATA-FANTASTIC BEACH Of - Rising & Setting Sun





FASCINATING KUAKATA
Cooing Kuakata, the lowland lass of Latachapli in the sea-facing south of Bangladesh is 70 km. from Patuakhali District Headquarters and 320 km. from the Capital City of Dhaka. Here on the Bay, nature left to nature is the up and coming tourist hamlet of Kuakata with cool and kind holidaying kiss.

Fascinating name Kua (well), Kata (dug) was perhaps given to it by the earliest Rakhyne settlers from Kingdom of Arakan who landmarked the place by digging a well. Fabled curative qualities of well-waters of Kuakata is still a matter of “willing suspension of disbelief”. Fascinating still more is the sight of the sun at dawn rising from the depths of the sea and sinking into the same at dusk which can be glanced from the same point.

TOURIST ATTRACTIONS

- The long wide beach in typical natural setting,
- Rising from the sea and setting into it of the crimson sun in a calm environment,
- Fairs and festivals during `Rush Purnima’ and `Maghi Purnima’,
- Unique customs and costumes of the `Rakhyne’ community,
- Ancient Buddhist temple & the largest Buddha statue of Bangladesh,
- Migratory birds in the winter season.

HOW TO GO:

Dhaka-Barisal by Air. Barisal to Kuakata via Patuakhali by Road.
By steamer and launch:
Dhaka-Patuakhali and Patuakhali to Kuakata by local Transport.
By Road:
Dhaka-Kuakata by Bangladesh Road Transport Corporation (BRTC) Tourist Bus.
Khulna-Kuakata by Bus.


WHERE TO STAY:
Parjatan Holiday Homes at Kuakta is an ideal tourist resort having necessary facilities for the tourists.

Deluxe Motel :
16 Rooms
Restaurant :
50 Seats
Room Tariff :
AC-Deluxe (Double) TK. 1800.00
AC-Twin Bed TK. 1500.00
Non-AC Twin Bed TK. 900.00
Economy Twin Bed TK. 600.00
Confc. Hall (50 pers.) TK. 6500.00
 Rates are all inclusive and subject to change without notice.
Accommodation Facilities

For rates and booking contact:

Central Reservation
Bangladesh Parjatan Corporation
Phone: +880-2-9893710
e-mail : info@bangladeshtourism.gov.bd